Dhaka 10:46 pm, Tuesday, 19 May 2026

খুলনায় ১৩ জুন থেকে ফের কঠোর বিধিনিষেধ

খুলনাসহ সীমান্তবর্তী জেলাগুলোতে করোনা সংক্রমণ ক্রমেই বাড়ছে। এদিকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে খুলনা জেলায় ১৩ জুন থেকে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে জেলা করোনাভাইরাস প্রতিরোধ কমিটি।

শুক্রবার খুলনা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে কমিটির বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর আগে ৪ জুন থেকে ১০ জুন পর্যন্ত খুলনার ৪ থানায় বিধি নিষেধ আরোপ করা হয়েছিল।

খুলনা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হেলাল হোসেন বলেন, ১৩ জুন থেকে পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত দোকানপাট খোলা থাকবে। এছাড়া বাকি সময় জরুরি পরিসেবা ছাড়া সকল দোকানপাট বন্ধ থাকবে। নগরীতে জনসমাগম সীমিত করতে ইজিবাইক চলাচল ৫০ শতাংশে নামিয়ে আনা হবে।

জানা যায়, ১০০ শয্যার খুলনার করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতালে বর্তমানে রোগী ভর্তি আছে ১৪৩ জন। মুমূর্ষু রোগীর চিকিৎসায় জায়গা মিলছে না হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র আইসিইউ ও এইচডিইউতে। খুলনা সিভিল সার্জন ডাঃ নিয়াজ মোহাম্মদ জানান, পরিস্থিতি সামাল দিতে বিভিন্ন স্থানে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করা হলেও উন্নতি হচ্ছে না।

উপরন্তু নতুন নতুন এলাকায় করোনা সংক্রমণ ছড়িয়েছে। খুলনা সদরে বর্তমানে করোনা সংক্রমণের হার ৩০ শতাংশ। এছাড়া দৌলতপুর থানা এলাকায় ৫২, দাকোপে ৬৩ ও পাইকগাছায় সংক্রমণের হার ৫০ শতাংশ। বিধিনিষেধ আরোপের পর কোন একটি জায়গায় সংক্রমণ কমলেও নতুন আরেকটি এলাকায় করোনা ছড়াচ্ছে।

 

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

কুয়াকাটায় আবারও বিতর্কের শীর্ষে পৌর মৎস্যজীবী দলের এক নেতা।

খুলনায় ১৩ জুন থেকে ফের কঠোর বিধিনিষেধ

আপডেটের সময় : 06:04:23 pm, Friday, 11 June 2021

খুলনাসহ সীমান্তবর্তী জেলাগুলোতে করোনা সংক্রমণ ক্রমেই বাড়ছে। এদিকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে খুলনা জেলায় ১৩ জুন থেকে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে জেলা করোনাভাইরাস প্রতিরোধ কমিটি।

শুক্রবার খুলনা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে কমিটির বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর আগে ৪ জুন থেকে ১০ জুন পর্যন্ত খুলনার ৪ থানায় বিধি নিষেধ আরোপ করা হয়েছিল।

খুলনা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হেলাল হোসেন বলেন, ১৩ জুন থেকে পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত দোকানপাট খোলা থাকবে। এছাড়া বাকি সময় জরুরি পরিসেবা ছাড়া সকল দোকানপাট বন্ধ থাকবে। নগরীতে জনসমাগম সীমিত করতে ইজিবাইক চলাচল ৫০ শতাংশে নামিয়ে আনা হবে।

জানা যায়, ১০০ শয্যার খুলনার করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতালে বর্তমানে রোগী ভর্তি আছে ১৪৩ জন। মুমূর্ষু রোগীর চিকিৎসায় জায়গা মিলছে না হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র আইসিইউ ও এইচডিইউতে। খুলনা সিভিল সার্জন ডাঃ নিয়াজ মোহাম্মদ জানান, পরিস্থিতি সামাল দিতে বিভিন্ন স্থানে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করা হলেও উন্নতি হচ্ছে না।

উপরন্তু নতুন নতুন এলাকায় করোনা সংক্রমণ ছড়িয়েছে। খুলনা সদরে বর্তমানে করোনা সংক্রমণের হার ৩০ শতাংশ। এছাড়া দৌলতপুর থানা এলাকায় ৫২, দাকোপে ৬৩ ও পাইকগাছায় সংক্রমণের হার ৫০ শতাংশ। বিধিনিষেধ আরোপের পর কোন একটি জায়গায় সংক্রমণ কমলেও নতুন আরেকটি এলাকায় করোনা ছড়াচ্ছে।