Dhaka 12:09 pm, Wednesday, 10 June 2026

মৃতের সংস্পর্শে আসা ১৭৮ জনের নমুনা পরীক্ষা, লকডাউন তিন ইউনিয়ন

করোনা রোগী শনাক্ত বেড়ে যাওয়ায় গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার তিনটি ইউনিয়ন লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। ইউনিয়নগুলো হলো- সাতপাড়, বোলতলী ও সাহাপুর।

এরই মধ্যে শুক্রবার সকাল থেকে লকডাউন কার্যকর করতে মাঠে নেমেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

সদর উপজেলার বোলতলী ইউনিয়নের তেলিভিটা গ্রামে কয়েকদিন আগে একটি পরিবারের তিনজন করোনা আক্রান্ত হন।

এছাড়া একজন মৃত্যুবরণ করলে স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষ থেকে মৃতের সংস্পর্শে আসা ১৭৮ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এদের মধ্যে ২৩ পজিটিভ রোগী পাওয়া যায়। এরপর প্রশাসন লকডাউনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।

গোপালগঞ্জ সিভিল সার্জন অফিস জানায়, ওই ইউনিয়ন দুটিতে নতুন করে আরও ৮৭ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ২১ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে।

তেলিভিটা গ্রামে শনাক্ত হওয়া করোনা রোগীর সংখ্যা এখন পর্যন্ত ৪৪ জন।

এদিকে স্বাস্থ্য বিভাগ বলছে, এ পর্যন্ত গোপালগঞ্জ জেলায় ৩ হাজার ৭৯০ জন আক্রান্ত হয়েছেন। শুধু মে মাসে আক্রান্তের সংখ্যা ১৯৯ জন। এ পর্যন্ত গোপালগঞ্জ জেলায় মারা গেছে ৩৭ জন।

জেলা সিভিল সার্জন অফিসের এমওসিএস ডাক্তার মো. সাকিবুর রহমান জানান, গত মার্চ মাসে আক্রান্তের হার ৪.৫ শতাংশ ছিল। এপ্রিল মাসে তা লাফিয়ে ১৪.৫ শতাংশে দাঁড়িয়েছে।

গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ রাশেদুল রহমান জানান, লকডাউন চলাকালে ইউনিয়ন তিনটির হাট-বাজার, দোকানপাট বন্ধ থাকবে। গণপরিবহন চলাচল সীমিত রাখা হবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

কুয়াকাটায় আবারও বিতর্কের শীর্ষে পৌর মৎস্যজীবী দলের এক নেতা।

মৃতের সংস্পর্শে আসা ১৭৮ জনের নমুনা পরীক্ষা, লকডাউন তিন ইউনিয়ন

আপডেটের সময় : 06:15:22 pm, Friday, 28 May 2021

করোনা রোগী শনাক্ত বেড়ে যাওয়ায় গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার তিনটি ইউনিয়ন লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। ইউনিয়নগুলো হলো- সাতপাড়, বোলতলী ও সাহাপুর।

এরই মধ্যে শুক্রবার সকাল থেকে লকডাউন কার্যকর করতে মাঠে নেমেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

সদর উপজেলার বোলতলী ইউনিয়নের তেলিভিটা গ্রামে কয়েকদিন আগে একটি পরিবারের তিনজন করোনা আক্রান্ত হন।

এছাড়া একজন মৃত্যুবরণ করলে স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষ থেকে মৃতের সংস্পর্শে আসা ১৭৮ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এদের মধ্যে ২৩ পজিটিভ রোগী পাওয়া যায়। এরপর প্রশাসন লকডাউনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।

গোপালগঞ্জ সিভিল সার্জন অফিস জানায়, ওই ইউনিয়ন দুটিতে নতুন করে আরও ৮৭ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ২১ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে।

তেলিভিটা গ্রামে শনাক্ত হওয়া করোনা রোগীর সংখ্যা এখন পর্যন্ত ৪৪ জন।

এদিকে স্বাস্থ্য বিভাগ বলছে, এ পর্যন্ত গোপালগঞ্জ জেলায় ৩ হাজার ৭৯০ জন আক্রান্ত হয়েছেন। শুধু মে মাসে আক্রান্তের সংখ্যা ১৯৯ জন। এ পর্যন্ত গোপালগঞ্জ জেলায় মারা গেছে ৩৭ জন।

জেলা সিভিল সার্জন অফিসের এমওসিএস ডাক্তার মো. সাকিবুর রহমান জানান, গত মার্চ মাসে আক্রান্তের হার ৪.৫ শতাংশ ছিল। এপ্রিল মাসে তা লাফিয়ে ১৪.৫ শতাংশে দাঁড়িয়েছে।

গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ রাশেদুল রহমান জানান, লকডাউন চলাকালে ইউনিয়ন তিনটির হাট-বাজার, দোকানপাট বন্ধ থাকবে। গণপরিবহন চলাচল সীমিত রাখা হবে।