Dhaka 7:56 am, Monday, 15 June 2026

গণমাধ্যমের শত্রুরা বন্ধু সেজে সরকারবিরোধী উসকানি দিচ্ছে: ওবায়দুল কাদের

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, যারা গণমাধ্যম ও মুক্ত সাংবাদিকতার বিরুদ্ধে দানবীয় আচরণ করেছিলো তারাই এখন গণমাধ্যমের মুখোশ পরা বন্ধু সেজে সরকারবিরোধী উসকানি দিচ্ছে। জনগণ বিএনপি নামক বর্ণচোরা দলটিকে ভালো করে চিনে। তাদের কোন অপকর্ম সফল হবে না।

শনিবার (২২ মে) সকালে বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে মৎস্যজীবী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন তিনি। মন্ত্রী তার সরকারি বাসভবন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হন।

২০০১ সালে ক্ষমতায় এসে বিএনপি জোট যে দানবীয় অত্যাচার চালিয়েছিলো তা দেশের মানুষ এখনও ভুলে যায়নি উল্লেখ করে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, এ দেশে হত্যা, সন্ত্রাস ও ষড়যন্ত্রের রাজনীতির ধারক ও বাহক বিএনপি। তারা এখনো সে ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছে।

ওবায়দুল কাদের বলেন, আন্দোলনের সক্ষমতা হারানো বিএনপি নামক একটি দল এখন উসকানিদাতার ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছে। এর আগে তারা শিক্ষার্থীদের সড়ক আন্দোলন, কোটা সংস্কার আন্দোলন, ভাস্কর্য বিরোধী আন্দোলনে প্রত্যক্ষ- পরোক্ষ মদদ দিয়েছিলো।রাজপথে একটি মিছিল করার সামর্থ্য হারানো দলটি অন্ধকার গলিপথ আর ষড়যন্ত্রের নীলনকশা বাস্তবায়নই এখন কুট কৌশল হিসেবে নিয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, অন্যের আন্দোলনে ভর করে বিএনপি এগিয়ে যাওয়ার ব্যর্থ চেষ্টা করছে। মিথ্যাচার আর পরাশ্রয়ী রাজনীতি বিএনপির মেরুদণ্ডহীনতাই প্রমাণ।

মৎস্যজীবী লীগের নেতৃবৃন্দের উদ্দেশে ওবায়দুল কাদের বলেন, দল করলে দলের শৃঙ্খলা মেনে চলতে হবে। সংগঠনের নাম ব্যবহার করে চাঁদাবাজি করলে কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সবাইকে ঐকবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি। মৎস্যজীবী লীগে মৎস্যজীবীদের প্রধান্য দিতে হবে, যাদের মৎস্যজীবীর সাথে কোন সম্পর্ক নেই তাদের নেতৃত্বে আনা যাবে না বলেও জানান ওবায়দুল কাদের।

মৎস্যজীবী লীগের সভাপতি সায়ীদুর রহমানের সভাপতিত্বে বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আরো বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ডক্টর আবদুস সোবহান গোলাপ, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, কেন্দ্রীয় কার্যকরী সদস্য শাহাবুদ্দীন ফরাজী,এবএম রিয়াজুল কবির কাওছার এবং মৎস্যজীবী লীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ আজগর নস্কর।

এদিকে আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মৎস্যজীবী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে ভিডিও বার্তায় শুভেচ্ছা জানান। এসময় তিনি বলেন আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় এসে মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে কাজ করছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সকল ক্ষেত্রে  বাংলাদেশকে স্বয়ংসম্পূর্ন করতে চাই এবং জাতির পিতার আদর্শ নিয়ে বিশ্বের বুকে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে বাংলাদেশ। যুব সমাজকে চাকরীর পিছনে না ছুটে মৎস্য উদ্যোক্তা হওয়ার আহবান জানান প্রধানমন্ত্রী।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

‘আমরা জুলাই যোদ্ধা’র ৫১ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা

গণমাধ্যমের শত্রুরা বন্ধু সেজে সরকারবিরোধী উসকানি দিচ্ছে: ওবায়দুল কাদের

আপডেটের সময় : 02:45:50 pm, Saturday, 22 May 2021

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, যারা গণমাধ্যম ও মুক্ত সাংবাদিকতার বিরুদ্ধে দানবীয় আচরণ করেছিলো তারাই এখন গণমাধ্যমের মুখোশ পরা বন্ধু সেজে সরকারবিরোধী উসকানি দিচ্ছে। জনগণ বিএনপি নামক বর্ণচোরা দলটিকে ভালো করে চিনে। তাদের কোন অপকর্ম সফল হবে না।

শনিবার (২২ মে) সকালে বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে মৎস্যজীবী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন তিনি। মন্ত্রী তার সরকারি বাসভবন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হন।

২০০১ সালে ক্ষমতায় এসে বিএনপি জোট যে দানবীয় অত্যাচার চালিয়েছিলো তা দেশের মানুষ এখনও ভুলে যায়নি উল্লেখ করে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, এ দেশে হত্যা, সন্ত্রাস ও ষড়যন্ত্রের রাজনীতির ধারক ও বাহক বিএনপি। তারা এখনো সে ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছে।

ওবায়দুল কাদের বলেন, আন্দোলনের সক্ষমতা হারানো বিএনপি নামক একটি দল এখন উসকানিদাতার ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছে। এর আগে তারা শিক্ষার্থীদের সড়ক আন্দোলন, কোটা সংস্কার আন্দোলন, ভাস্কর্য বিরোধী আন্দোলনে প্রত্যক্ষ- পরোক্ষ মদদ দিয়েছিলো।রাজপথে একটি মিছিল করার সামর্থ্য হারানো দলটি অন্ধকার গলিপথ আর ষড়যন্ত্রের নীলনকশা বাস্তবায়নই এখন কুট কৌশল হিসেবে নিয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, অন্যের আন্দোলনে ভর করে বিএনপি এগিয়ে যাওয়ার ব্যর্থ চেষ্টা করছে। মিথ্যাচার আর পরাশ্রয়ী রাজনীতি বিএনপির মেরুদণ্ডহীনতাই প্রমাণ।

মৎস্যজীবী লীগের নেতৃবৃন্দের উদ্দেশে ওবায়দুল কাদের বলেন, দল করলে দলের শৃঙ্খলা মেনে চলতে হবে। সংগঠনের নাম ব্যবহার করে চাঁদাবাজি করলে কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সবাইকে ঐকবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি। মৎস্যজীবী লীগে মৎস্যজীবীদের প্রধান্য দিতে হবে, যাদের মৎস্যজীবীর সাথে কোন সম্পর্ক নেই তাদের নেতৃত্বে আনা যাবে না বলেও জানান ওবায়দুল কাদের।

মৎস্যজীবী লীগের সভাপতি সায়ীদুর রহমানের সভাপতিত্বে বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আরো বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ডক্টর আবদুস সোবহান গোলাপ, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, কেন্দ্রীয় কার্যকরী সদস্য শাহাবুদ্দীন ফরাজী,এবএম রিয়াজুল কবির কাওছার এবং মৎস্যজীবী লীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ আজগর নস্কর।

এদিকে আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মৎস্যজীবী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে ভিডিও বার্তায় শুভেচ্ছা জানান। এসময় তিনি বলেন আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় এসে মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে কাজ করছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সকল ক্ষেত্রে  বাংলাদেশকে স্বয়ংসম্পূর্ন করতে চাই এবং জাতির পিতার আদর্শ নিয়ে বিশ্বের বুকে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে বাংলাদেশ। যুব সমাজকে চাকরীর পিছনে না ছুটে মৎস্য উদ্যোক্তা হওয়ার আহবান জানান প্রধানমন্ত্রী।