Dhaka 8:24 am, Monday, 15 June 2026

চীনের টিকা পেতে দেরি হওয়ায় কাউকে দোষারোপ করা যাবে না: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, চীন থেকে ভ্যাকসিন আসার প্রক্রিয়া বিলম্বিত হওয়ার পেছনে কাউকেই দোষারোপ করা যাবে না। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা সিনোফার্মের টিকা অনুমোদন দিতে দেরি করায় এমনটি হয়েছে।

বুধবার (১২ মে) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় চীনা টিকা হস্তান্তর উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি। অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. জাহিদ মালেক, ঢাকায় নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূত লি জিমিং, পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন উপস্থিত ছিলেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘চীনা টিকার বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা অনুমোদন না দেওয়ায় আমরা আনতে খুব একটা আগ্রহী ছিলাম না। আমাদের বিশেষজ্ঞরাও এ বিষয়ে এমনই নির্দেশনা দিয়েছিলেন। তবে এখন অনুমোদন দেয়ায় আমরা এ টিকা আনতে চাই। তাই টিকা আনতে দেরি হওয়ায় কাউকেই দোষারোপ করার সুযোগ নেই বলেও জানান তিনি।

টিকা উপহার দেয়ায় চীন সরকারকে ধন্যবাদ জাানয়ে ড. এ কে আব্দুল মোমেন আরও জানান, চীনের এই টিকার যৌথ উৎপাদন হতে পারে। আর তা হলে উভয়পক্ষই লাভবান হবেন।

এর আগে বুধবার ভোরে ঢাকায় পৌঁছায় চীনের পাঁচ লাখ উপহারের টিকা। ভোর সাড়ে ৫টায় বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর একটি বিশেষ ফ্লাইট টিকা নিয়ে বেইজিং থেকে ঢাকায় আসে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

‘আমরা জুলাই যোদ্ধা’র ৫১ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা

চীনের টিকা পেতে দেরি হওয়ায় কাউকে দোষারোপ করা যাবে না: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

আপডেটের সময় : 01:41:16 pm, Wednesday, 12 May 2021

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, চীন থেকে ভ্যাকসিন আসার প্রক্রিয়া বিলম্বিত হওয়ার পেছনে কাউকেই দোষারোপ করা যাবে না। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা সিনোফার্মের টিকা অনুমোদন দিতে দেরি করায় এমনটি হয়েছে।

বুধবার (১২ মে) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় চীনা টিকা হস্তান্তর উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি। অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. জাহিদ মালেক, ঢাকায় নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূত লি জিমিং, পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন উপস্থিত ছিলেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘চীনা টিকার বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা অনুমোদন না দেওয়ায় আমরা আনতে খুব একটা আগ্রহী ছিলাম না। আমাদের বিশেষজ্ঞরাও এ বিষয়ে এমনই নির্দেশনা দিয়েছিলেন। তবে এখন অনুমোদন দেয়ায় আমরা এ টিকা আনতে চাই। তাই টিকা আনতে দেরি হওয়ায় কাউকেই দোষারোপ করার সুযোগ নেই বলেও জানান তিনি।

টিকা উপহার দেয়ায় চীন সরকারকে ধন্যবাদ জাানয়ে ড. এ কে আব্দুল মোমেন আরও জানান, চীনের এই টিকার যৌথ উৎপাদন হতে পারে। আর তা হলে উভয়পক্ষই লাভবান হবেন।

এর আগে বুধবার ভোরে ঢাকায় পৌঁছায় চীনের পাঁচ লাখ উপহারের টিকা। ভোর সাড়ে ৫টায় বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর একটি বিশেষ ফ্লাইট টিকা নিয়ে বেইজিং থেকে ঢাকায় আসে।