Dhaka 12:42 pm, Wednesday, 10 June 2026

নদীতে বাঁধ দিয়ে মাছ শিকার, ৫টি অবৈধ জাল উচ্ছেদ

নাটোরের গুরুদাসপুরে আত্রাই নদীতে অবৈধভাবে সোঁতিজালের বাঁধ দিয়ে মাছ ধরার তিনটি জাল উচ্ছেদ করা হয়েছে।

আজ শনিবার দিনভর অভিযান চালিয়ে আত্রাই নদীর কালাকান্দর, বিলসাঘাট ও যোগেন্দ্রনগর পয়েন্টে বিশালাকারের তিনটি সোঁতিজালের বাঁধ উচ্ছেদ করেন ইউএনও মো. তমাল হোসেন।

এর আগে বৃহস্পতিবার একই নদীর সাবাগাড়ী ও হরদমা নালায় দুটি সোঁতিজাল উচ্ছেদ করেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আবু রাসেল। এসময় সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

স্থানীয় ও প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, উপজেলার আত্রাই ও বিশানী নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে নদীর স্বাভাবিক স্রোতকে সোঁতিজাল দিয়ে বাধাগ্রস্ত করে প্রতিবছরের মত এবারও মাছ শিকারের মহোৎসব চলছিল।

এক শ্রেণির অসাধু ব্যক্তি প্রভাব খাটিয়ে অবৈধভাবে ওই মাছ শিকার করে নদীর গতিপথকে বাঁধাগ্রস্ত করে।

পানি প্রবাহে বাঁধাগ্রস্তের কারণে চলন বিলের রবিশস্য আবাদে ব্যাপকভাবে বিঘ্ন ঘটে। উচ্ছেদের সময় সোঁতিজাল মালিকদের না পাওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে আইনি কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে জানা গেছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

কুয়াকাটায় আবারও বিতর্কের শীর্ষে পৌর মৎস্যজীবী দলের এক নেতা।

নদীতে বাঁধ দিয়ে মাছ শিকার, ৫টি অবৈধ জাল উচ্ছেদ

আপডেটের সময় : 06:29:02 pm, Saturday, 12 September 2020

নাটোরের গুরুদাসপুরে আত্রাই নদীতে অবৈধভাবে সোঁতিজালের বাঁধ দিয়ে মাছ ধরার তিনটি জাল উচ্ছেদ করা হয়েছে।

আজ শনিবার দিনভর অভিযান চালিয়ে আত্রাই নদীর কালাকান্দর, বিলসাঘাট ও যোগেন্দ্রনগর পয়েন্টে বিশালাকারের তিনটি সোঁতিজালের বাঁধ উচ্ছেদ করেন ইউএনও মো. তমাল হোসেন।

এর আগে বৃহস্পতিবার একই নদীর সাবাগাড়ী ও হরদমা নালায় দুটি সোঁতিজাল উচ্ছেদ করেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আবু রাসেল। এসময় সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

স্থানীয় ও প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, উপজেলার আত্রাই ও বিশানী নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে নদীর স্বাভাবিক স্রোতকে সোঁতিজাল দিয়ে বাধাগ্রস্ত করে প্রতিবছরের মত এবারও মাছ শিকারের মহোৎসব চলছিল।

এক শ্রেণির অসাধু ব্যক্তি প্রভাব খাটিয়ে অবৈধভাবে ওই মাছ শিকার করে নদীর গতিপথকে বাঁধাগ্রস্ত করে।

পানি প্রবাহে বাঁধাগ্রস্তের কারণে চলন বিলের রবিশস্য আবাদে ব্যাপকভাবে বিঘ্ন ঘটে। উচ্ছেদের সময় সোঁতিজাল মালিকদের না পাওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে আইনি কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে জানা গেছে।